ধারণা করা হচ্ছে, বাসযাত্রার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা নেশাজাতীয় কোনো দ্রব্য খাইয়ে কামরুল ইসলামের লাগেজ, মোবাইল ফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। তার কাছে কেবল কাঁধের একটি ব্যাগ ও বেল্টের ছোট ব্যাগটি ছিল। ওই বেল্ট ব্যাগ থেকেই তার পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়।